করোনাকালে তরকারি নয় কিনুন মানবতাকে! করুন চেহারা দেখে এগিয়ে গেলেন সংবাদকর্মী হোবাইব৷ আইসিটি নিউজ

সাহিত্য স্বাস্থ্য

আইসিটি নিউজঃ সরওয়ার কামাল,মহেশখালী(কক্সবাজার): 

মহেশখালী উপজেলা সদর থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে কালারমারছড়া নোনাছড়ি বাজার অতিক্রম করে নিজ বাসায় যাওয়ার সময় ২৯ই জুন বিকাল ৩টায়  দৈনিক পূর্বকোণ ও সিপ্লাস টিভির প্রতিনিধি হোবাইব সজীবের চোখে পড়ল ৬ বছরের একটি  শিশু কন্যা অল্প কিছু কচুর লতি নিয়ে করুন মুখে বসে আছে। শিশু মেয়েটির মায়াবি চাহানি আর করুন চেহারা দেখে এগিয়ে গেলেন তিনি তার পাশে। মেয়েটার সাথে কথা বলে সে জানাল তার পিতার অভাব অনটনের সংসার। তার পিতা উপজেলার কালারমারছড়া নোনাছড়ি পশ্চিম পাড়া গ্রামের বুদিনিবর জয়নাল আবেদীনের শিশু কন্যা মোবারকা সোলতানা (৬)। পড়া লেখা করে স্থানিয় নোনাছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  প্রথম শ্রেণীতে। কিন্তু এ বয়সে শিশুটি লেখা পড়ার ফাঁকে ফাঁকে তার বাবা মা’কে ক্ষেত কামারে কঠিন শ্রম দিয়ে পরিবারে সহযোগিতা করে। হতদরিদ্র এ সংসারে বাড়ির উঠানে এক টুকরা জমিতে কচু ও শাক সবজি ক্ষেত করে কোন মতো খেয়ে না খেয়ে দিন যাপন করছেন।
সোমবার শিশু মেয়েটি ক্ষেতের ২ কেজি কচুর লতি নিয়ে নোনাছড়ি বাজারে আসে বিক্রয় করার জন্য। কিন্তু বর্তমান সময়ের কচুর লতির চাহিদা তেমন না থাকায় কেউ শিশু মেয়েটির কচুর লতির দিকে যায়নি। তাই শিশুটি তার তরকারি বিক্রি হবেনা চিন্তা করে তার চেহারায় অসহায়ত্বের চাপ ফুটে উঠে। ঠিক সে মুর্হুতে আমি শিশুটির পাশে গিয়ে দাম জানতে চাইলাম। তখন একটি লজ্জিত হয়ে জানাল সব কচুর লতি ৪০ টাকা কিন্তু তরকারি না কিনে আমি তার সমপরিমাণ কিছু নগদ অর্থ  তাকে দিয়ে শিশুটিকে সংবাদকর্মী হোবাইব সজীব বলেন, তরকারি গুলি এখন আমার। কিন্তু আমি নিতে সমস্য হবে বিদায় তোমাকে দিয়ে যাচ্ছি। তরকারী গুলি অন্য কাউকে বিক্রি করবে না। পারলে বাড়ীতে গিয়ে রান্না করে খাবে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *