রৌমারী পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হলে বদলে যাবে কুড়িগ্রামের চিত্র। আইসিটি নিউজ

জাতীয়

আইসিটি নিউজ: এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: বৃটিশ শাসনামলের রৌমারী বন্দর ধুকে ধুকে চলছে কুড়িগ্রামের রৌমারী বন্দর। আছে অবকাঠামোগত সমস্যা তারপরেও চলতি অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে এ বন্দর থেকে। রৌমারী বন্দর পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর করাসহ সব সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশের লাভজনক বন্দরগুলোর হতে পারে এটি। বন্দরটিতে ইমিগ্রেশন চালু আছে। রৌমারী বন্দর ব্যবসায়ীদের আগ্রহ বাড়ছে এ বন্দর ঘিরে।

১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর ভারতের সাথে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। পাকিস্তানের ২৪ বছর ভারতের সাথে এ রুটে বৈধ পথে কোন আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য হয়নি।

এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা এলসি করার পরও ভারত থেকে পণ্য না আসায় রৌমারী বন্দরের ৮০ জন আমদানি ব্যবসায়ী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বেকার হয়ে পড়েছে বন্দরে কাজ করা প্রায় ২ হাজার শ্রমিক।

রৌমারী বন্দর শ্রমিকরা জানান, রৌমারী বন্দর ধুকে ধুকে চালছে কাজ না থাকায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে অতি কষ্টে জীবন-যাপন করছি।

রৌমারী বন্দর ব্যবসায়ীরা জানায়, বন্দরটি চালু হওয়ার পর এই অঞ্চলের প্রায় ২ হাজার অভাবী মানুষজন বন্দরে লোড-আনলোডের কাজসহ অন্যান্য কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। এ অবস্থায় প্রায়ই পণ্য না আসায় বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকছে। আমরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

ভারতের মনকারচরের রপ্তানি ব্যবসায়ী নুর আলম জানান, রৌমারী বন্দর পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হলে দু’দেশের সম্পক বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি ব্যবসার উন্নতি ঘটবে।

বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, রৌমারী বন্দরের সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাগাদা দিয়েছি। প্রায় সময় আমদানী বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের ক্ষতির পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, রৌমারী বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর করা হবে। এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *