কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদীর কাউন্সিলে প্রার্থী হতে বাধা নেই। আইসিটিনিউজ বিডি২৪

রাজনীতি

আইসিটিনিউজ বিডি২৪: মাসুদ পারভেজ,বিশেষ প্রতিনিধি কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর বিরুদ্ধে আনিত দলীয় শৃঙাখলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়েছে গত ২১অক্টোবর। প্রশ্ন উঠে তাহলে কি বিদ্রোহীরা কাউন্সিলে প্রার্থী হতে পারবেন? এমন জিঙ্ঘাসার জবাব মিলেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রি ওবায়দুল কাদেরে(এমপি) এর বক্তব্যে। তিনি সোমবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন ”সাংগঠনিক ইউনিট গুলোর কাউন্সিলে বিদ্রোহীদের প্রার্থী হতে বাঁধা নেই”। তথ্য সুত্র নয়া দিগন্ত অনলাইন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রি ওবায়দুল কাদের(এমপি) বক্তব্যের পর কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার হয়েছে। এখন তারা তাদের প্রিয় নেতা সাঈদ মেহেদীকে নিয়ে সামনের রাজনীতির ময়দানে আবার জামায়াত শিবিরের তান্ডব মোকাবেলা করবেন। আওয়ামী পরিবার ও ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী বিগত উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতার অভিযোগ ছিল গত উপজেলা নির্বাচনের আগে কথিত কাউন্সিলের বিরুদ্ধে। ঐ কাউন্সিলে সবা চেয়ে কম ভোট পাওয়া এক প্রার্থীকে নেীকার প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়া হয় এবং বিদ্রোহী প্রার্থী সাঈদ মেহেদীর চেয়ে প্রায় চল্লিশ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এসময় কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ থেকে কেন তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন এই মর্মে কারন দর্শানোর নোঠিশ পান। পরে কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার কারন ব্যাখ্যা করেন এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থেকে মুক্ত হন। প্রবীন আওয়ামী লীগ একাধীক নেতাদের কাছে জিঙ্ঘেস করা হয় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাঈদ মেহেদীর ব্যাপারে। তারা বলেন তার পরিবার আওয়ামী পরিবার, সে ১৯৯০ সালে মৌতলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৯২ সালে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক, ১৯৯৫ সালে কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক, ১৯৯৭ সালে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের প্রচার সম্পাদক, ১৯৯৮ সালে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক, ২০০৯ সালে যুবলীগের সাধারন সম্পাদক থাকা কালিন অস্থায় উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, ২০১৬ সালে নৌকা প্রতিকের মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগে সাধারন সম্পাদক থাকা অবস্থায়। এমন ধারাবাহিক আওয়ামী রাজনীতি করা নেতা কালিগঞ্জে নেই বল্লেও চলে। তাকে ছাড়া কালিগঞ্জের রাজনীতি করা সম্ভব নয়। তার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা আমাদের দলের জন্য ক্ষতির ছিল। এখন তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমরা দারুন খুশি তিনি কাউন্সিল করতে পারবেন যেনে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশোনা বিষায়ক সম্পাদক ছহিলুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, কালিগঞ্জে আওয়ামী লীগ পরিবার গুলোর মধ্যে অন্যতম তার পরিবার। আমরা উপজেলা নির্বাচনের আগে হতবাগ হয়েছিলাম তাকে নৌকা প্রতীক না দেওয়ায়। তিনি যঢ়যন্ত্রে স্বিকার হয়ে ছিলেন। আমরা তাকে নিয়ে বেশ উৎকন্ঠায় ছিলাম এখন আবার আমরা আশান্নিত। এব্যাপারে কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত। জননেত্রী শেখ হাসিনার ছায়াতলে থেকে রাজনীতি করাই আমার কাজ। সে লক্ষে আমি আমার বাকী জীবন কাটাতে চাই। আমার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছিল আমি জবাব দিতে পেরেছি। আমাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রিকে আমার ও কালিগঞ্জ বাসির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *